অধ্যাপিকা সায়রা বানু রৌশনী রাজনীতি যার অনিবার্য উত্তরাধিকার  শিল্প সংস্কৃতির বিচিত্র পথেও দীপ্ত পথচলা

 

অধ্যাপিকা সায়রা বানু রৌশনী। আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ। এর বাইরে   শিক্ষা,  সাহিত্য সংস্কৃতির বিচিত্র পথে চলাচল তাঁর। ব্যবসায় শিক্ষায় স্নাতকোত্তর করা সায়রা জীবনের বড় একটা সময় কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ে  শিক্ষকতা করেছেন।পাশাপাশি বেতার টিভিতে সংবাদ পাঠ,আবৃত্তি, ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও লেখালেখিতে সুমান অর্জন করেছেন।শিশুতোষ ও মুক্তিযুদ্বভিত্তিক ৪টি গ্রণ্হ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর।  যুক্ত আছেন লায়ন্স ক্লাব,সরকারি কমার্স কলেজ, মহসীন কলেজ প্রাক্তন শিক্ষার্থীদর সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক  সংগঠনের সাথে।
সবচেয়ে বড় পরিচয় তাঁর একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে।রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম। বাবা বীর মুক্তিযোদ্বা ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব বদিউল আলম, মা  আলহাজ্ব নাসিম বানু মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।আওয়ামী পরিবারের নিবেদিত প্রাণ  সদস্য হিসেবে খ্যাত বদিউল আলম বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু কন্যার বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের বিপক্ষে স্বোচ্ছার ভূমিকা রেখে চলেছেন। মহানগর আওয়ামী লীগের কিংবদন্তি নেতা   মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ১/১১ তে গ্রেফতারের প্রতিবাদ করায় জেল খেটেছেন।জামাত- বিএনপি বিরোধী দৃঢ অবস্হানের কারণে বিএনপি শাসনামলে আক্রান্ত হয়েছেন সপরিবারে, বাসভবনে। চট্টগ্রাম   মহানগর আওয়ামী পরিবারে জ্যেষ্ঠ ও নির্বিরোধ  নেতা হিসেবে অভিভাবকের স্হানে আসীন এখন  বদিউল আলম।
সায়রা বানু মা নাসিম বানুর রাজনৈতিক উত্তরাধিকারও ঐতিহ্য  এবং গৌরবের।মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব জানে আলম দোভাষ নাসিম বানুর পিতামহ।
রাজনীতি সায়রার কাছে কেবল ভালোলাগা নয়,পারিবারিক উত্তরাধিকারে  মনেপ্রাণে হাঁটা।

অধ্যাপিকা সায়রা বানু রৌশনী চট্টগ্রাম মহানগর যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক।  এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিন তিনবার এ পদে অধিষ্ঠিত সায়রার হাত ধরেই চট্টগ্রামে যুব মহিলা লীগের যাত্রা এবং নানা প্রতিকূলতা,ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতায় এ সংগঠনটি আজ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী পরিবারে সুসংগঠিত একটি শক্তি। চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের  অঙ্গসংগঠন হিসেবে সকল  কর্মসূচি ও কর্মকান্ডে সক্রিয় ও সবল সম্পৃক্ততার পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রমে যুব মহিলা লীগ সায়রা বানুর নেতৃত্বে এখন অনিবার্য একটি নাম,সফল সংগঠন। মহানগরের সকল ওয়ার্ড ও ইউনিটে সংগঠনের বিস্তৃতি তার হাত ধরেই।  নিজ এলাকা লালখান বাজারেও রয়েছে তার একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য অবস্থান।

বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ চট্টগ্রাম মহানগরে সম্পৃক্ততা প্রসঙ্গে অধ্যাপিকা সায়রা বানু রৌশনী বলেন  ছাত্র জীবন থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমার আদর্শ। এ আদর্শের দেখানো পথে হাঁটা ছিল আমার স্বপ্ন। বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতে গড়া বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী  চট্টগ্রামে একটি উপযুক্ত জায়গায় আনতে পেরেছি এটাই আমার সবচেয়ে বেশি ভালোলাগা।বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ চট্টগ্রাম মহানগর এখন প্রিয় নেত্রীর অন্যতম  একটি শক্তি।
আমরা উচ্চকন্ঠে বলি” নেত্রী মোদের শেখ হাসিনা,শেখ হাসিনার সরকার বারবার দরকার”। সকল আন্দোলন- সংগ্রামে আমরা,নির্বাচনে আমরা,শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীর তুমুল প্রচারণায় আমরা, উন্নয়ন সহযোগীর ভুমিকায় আমরা, জনমানুষের সুখে দুখে আমরা।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনাকে ব্রত হিসেবে নিয়েছি।
চট্টগ্রামে যুব মহিলাদের সংগঠিত করতে পেরেছি,তাদের জন্য একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পেরেছি।
এখন স্বপ্ন জাতীয় সংসদে চট্টগ্রামের নারীদের জন্য, চট্টগ্রামের জন্য কিছু বলা ও করা।জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করার ইচ্ছে পোষণ করছি।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, প্রিয় নেত্রী যদি সুযোগ দেন তবে তার সফল নেতৃত্বের অনুগামী হয়ে আরো বেশি কাজ করতে পারব চট্টগ্রামের উন্নয়ন, শিল্প সংস্কৃতিসহ প্রয়োজনীয় সকল ক্ষেত্রে।রাজনীতির মাধ্যমে দেশের জন্য, মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। কাজ করছি, এতেই আমার আনন্দ ও সুখ।

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on linkedin
LinkedIn
Share on email
Email

সম্পকিত খবর