কালবেলা মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম ব্যুরোতে দৈনিক কালবেলার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ছিলো কেক কাটা, সুধীজনদের আলোচনা সভা। এই সময় আগত অতিথিরা ফুল দিয়ে শুভচ্ছো জানান কালবেলাকে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সামাজিক-সাস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিলো কালবেলার প্রথম প্রতিষ্ঠাবাষির্কীর অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আগত অতিথির স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন কালবেলার বিশেষ প্রতিনিধি ও ব্যুরো প্রধান সাইদুল ইসলাম। কালবেলাকে শুভেচ্ছা জানাতে আসা বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের হুইপ শামসুল হক চৌধুরী এমপি বলেন, হাজার গণমাধ্যমের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে কালবেলা। কালবেলা অনেক ভালো ভালো সংবাদ প্রচার করেছে অল্প দিনেই। সরকারের উন্নয়ন আরো বেশি স্থান পাবে কালবেলায় এই প্রত্যাশা করি। দৈনিক কালবেলা প্রথম বর্ষপূর্তিতে পুরো টিমকে অভিনন্দন জানান তিনি।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া কালবেলাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে অনেক কাগজ, প্রতিদিন কাগজের ভিড়ে আমরা হারিয়ে যাই, আমরা বিভ্রান্তিতে থাকি কোনটা পড়ব। কিন্তু কালবেলা মাত্র এক বছর পূর্তিতে মানুষের মনে যে জায়গা করে নিয়েছে তা নিঃসন্দেহে গর্ব করার মতো। কালবেলার সাথে জড়িত সকলকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, কালবেলা উপন্যাসে মূল্যবোধ নীতি-নৈতিকতার বিষয়টি ছিল কালবেলা যেন সে দিকগুলো তুলে ধরতে পারছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় যে ভূমিকা রেখেছেন তা ইতিবাচক সূচক হিসেবে কাজ করছে। আমরা কালবেলার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।
কালবেলার ব্যতিক্রমী সংবাদের প্রশংসা করে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, কালবেলা এক বছরে মানুষের মনে অবস্থান তৈরি করেছে। আজকের দিনের শুভক্ষণে কালবেলার সম্পাদক, প্রকাশক, সাংবাদিকদের অভিনন্দন। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম নগর থেকে যে জিডিপি দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখে, সেভাবে পত্র-পত্রিকাগুলোতে প্রকাশিত হচ্ছে না। বিশেষ করে ক্রীড়াক্ষেত্রে চট্টগ্রাম যেভাবে অবদান রাখছে, তা পত্রিকাগুলোতে ওভাবে উঠে আসছে না। আমি আশা করব, পত্র-পত্রিকায় চট্টগ্রামের সকল সংবাদ উঠে আসবে। তবে এসময় ‘স্মার্ট চট্টগ্রাম’ নামে একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করায় কালবেলার প্রশংসা করেন জেলা প্রশাসক।
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম বলেন, কালবেলা মুক্তিযুদ্ধ- স্বাধীনতা, দেশের পবিত্র সংবিধান, ইতিহাস, ঐতিহ্য সংস্কৃতিকে ধারণ করে এগিয়ে যাবে আমার প্রত্যাশা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এম এ মাসুদ বলেন, কালবেলা পরিবারকে সিএমপি পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। দেশ ও জাতি গঠনে কালবেলা ভূমিকা রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করছি।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খন্দকার বলেন, আজকের এ দিনে কালবেলা পরিবারকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ছোটবেলা থেকে আমরা পড়ে আসছি দৈনিক পত্রিকা হলো সমাজের দর্পন। দৈনিক পত্রিকায় যদি সমাজের চিত্র প্রকাশিত না হয়, তাহলে সেটিকে দৈনিক পত্রিকা বলা যায় না। আশা করব, কালবেলা সমাজের আসল চিত্রগুলো মানুষের সামনে উপস্থাপন করবে।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শহীদুল আলম বলেন, কালবেলা গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বলে আমরা আশা রাখছি।
কালবেলাকে নিয়ে সুধীজনদের আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা সবাই মিলে কেক কাটেন। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক , সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
চট্টগ্রামে কালবেলাকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন, বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মীর হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও চসিকের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহের ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলহাজ¦ আলী আব্বাস, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি সালাউদ্দিন মোহাম্মদ রেজা, সহ-সভাপতি চৌধুরী ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক দেব দুলাল ভৌমিক, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়েনর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুবেল খান, সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী,বিএফইউজের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসিফ সিরাজ , চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়েনর সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সবুর শুভ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাশ,চসিক কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল কাদের , মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ মাহমুদ, নগর যুবলীগের সহ-সভাপতি দেবাশীষ পাল দেবু, যুবনেতা আরশেদুল আলম বাচ্চু,হাবিবুর রহমান তারেক, ফরহাদুল ইসলাম রিন্টু, মোহাম্মদ ইলিয়াস, পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ ইমরান, কিন্ডারগার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মাঈনুদ্দীন কাদের লাভল, যুবলীগ নেতা শেখ নাসির উদ্দিন, ব্যারিষ্টার মোহাম্মদ তানজির চৌধুরী, নগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক নুরুল আজিম রনি।
এছাড়াও ফুল দিয়ে কালবেলাকে শুভেচ্ছা জানান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের পক্ষে তাঁর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এমরুল করিম রাশেদ। কালবেলাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে, বিজিএমইএ, চট্টগ্রাম চেম্বার, জিপিএইচ গ্রুপ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, মহানগর ছাত্রদল ,চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগ, ইউসিটিসি বিশ^বিদ্যালয়, ইন্ডেপেন্ডন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, র‌্যাংকস, শেভরনসহ বিভিন্ন দৈনিক ও টেলিভিশনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এতে চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, সাংস্কৃতিক ,রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলার কালবেলার উপজেলা প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on linkedin
LinkedIn
Share on email
Email

সম্পকিত খবর