জঙ্গল সলিমপুরে পাহাড় নিধনে স্থানীয় প্রশাসন নিষ্ক্রিয়

পাহাড় কাটা বন্ধের ভূমি মন্ত্রী নিদেশনাকে স্থানীয় প্রশাসনের বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদশন। জেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স দেখালেও স্থানীয় প্রশাসন নিষ্ক্রিয় ।স্থানীয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা এখন প্রশ্নবিদ্ধ ।

এর মধ্যে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে স্থানীয় সন্ত্রাসী ছিন্নমুলের গফুর মেম্বার ও অন্ধ জামালের নেতৃত্বে রাতের অন্ধকারে নয় দিনে বেলায় প্রকাশ্যে পাহাড় কাটার উৎসব চলছে।

দিন দুপুরে বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিং রোড সংলগ্ন সীতাকুণ্ড জঙ্গল সলিমপুর মৌজার বিএস ৩৬১ দাগ ৫নং ব্রীজের পাশে পাহাড় নিধন চলছে ।পাহাড় নিধন সাধারণের চোখ এড়াতে না পারলে স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর দেখেও না দেখান ভান ধরেছে। ফলে একের পর এক সাবাড় হচ্ছে পাহাড়গুলো।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় , বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিং রোড সংলগ্ন সীতাকুণ্ড জঙ্গল সলিমপুর মৌজার বিএস ৩৬১ দাগ ৫নং ব্রীজের পাশে পাহাড় কাটছে বেশ কিছু শ্রমিক।গণমাধ্যম কর্মীরা যেন ভিডিও বা ছবি তুলতে না পারে তার জন্যে পাহারার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভিডিও বা ছবি তুলতে গেলে ক্যামরা নিয়ে টানা হেছড়া করছে।

আশে পাশের বেশ কয়েকজন নারী পুরুষ পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বলেন পাহাড় কাটা নিয়ে যারা প্রতিবাদ করেছে তাদের ঘরে ঘরে গিয়ে গফুর মেম্বার ও অন্ধ জামালের লোকজন হুমকি দিচ্ছে পাহাড় কাটা নিয়ে প্রতিবাদ করলে মামলা ফাঁসিয়ে দেবে এবং বাড়াবাড়ি করলে মেরে লাশ গুম করে ফেলবে।

জঙ্গল সলিমপুর মৌজার বিএস ৩৬১ দাগ মালিক সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল মালেক এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমার পিতার নামে সরকার কর্তৃক স্থায়ী বন্দোবস্তির সম্পত্তি। বিএস দাগ নং ৩৬১, যাহা আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে জায়গাটি আমার দখলে রয়েছে। কিন্তু একটি অসাধু ভূমিদস্য চক্র পাহাড় কেটে জায়গাটি দখলের পায়তারা করে আসছে।

পাহাড় কাটা বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ ফেরদৌস আনোয়ার বলেন,অভিযোগ পেয়েছি,টিম গেছে এবং পাহাড় কাটার সত্যতা পেয়েছি।প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on linkedin
LinkedIn
Share on email
Email

সম্পকিত খবর