প্রতিবন্ধকতাকে দূরে সরিয়ে বিদ্যালয়ের পক্ষে মামলার রায়

কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠু ও সুন্দর, স্বস্তিময় পরিবেশে লেখাপড়া খেলাধুলার মাধ্যমে ও তাদের সৃজনশীলতা নান্দনিকতার প্রতিবন্ধকতাকে দূরে সরিয়ে মামলার রায় খোয়াজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে। আজ সত্যিই আমরা জয়ী। সত্যের জয় কিন্তু সবসময়ই হয়।

আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে খোয়াজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইসলাম আহমেদ তার অনুভুতি জানান।
তিনি লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, তবে এই জয়ের পেছনে যার অবদান সবচেয়ে বেশী তিনি ভূমি মন্ত্রী সাইফুজামান চৌধুরী জাবেদ। এছাড়াও আমরা বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা, জেলা প্রশাসক, নির্বাহী কর্মকর্তা, ভূমি অফিসার কাছ থেকে অনেক সাহায্য সহযোগিতা পেয়েছি। তবে যার কাছ থেকে আমাদের সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা পাওয়ার কথা ছিল- কর্ণফুলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তার ভূমিকা ছিল নীরব।

তিনি আরো জানান, খোয়াজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদালয়টি এ গ্রেডের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এখানে ১২ জন শিক্ষক ৬০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। ৩ তলা একটি ভবন, দোতলা একটি ভবন এবং একতলা দুটি ভবন মোট চারটি ভবন নিয়ে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে।

তিনি জানান, ১৯৬২ সালে তৎকালীন ডেপুটি কমিশনারের বরাবরে জনৈক জামাল হোসেন সাবকবলায় বিক্রি করেন ।বিদ্যালয়ের নামে সেই থেকে বিদ্যালয় সংলগ্ন পুকুরটি বিদ্যালয়ের দখলে ছিল এবং সংলগ্ন মাঠটি ও বিদ্যালয়ের খেলাধুলা সমাবেশের জন্য ব্যবহার করা হতো।

কর্ণফুলী উপজেলা খোয়াজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যেন গঠনগত ভাবে সবদিক দিয়ে প্রথম সারিতে স্থান পায় এবং শিক্ষার্থীরা যেন খেলার মাঠে খেলাধুলা ও নিরাপত্তার সাথে লেখাপড়া করতে পারে তার জন্য বাউন্ডারি ওয়াল ও আরো একটি নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে সুষ্ঠু সুশৃঙ্খল ও নান্দনিক পরিবেশের মাঝে লেখাপড়া শিখে সুন্দর ভবিষ্যতের অধিকারী হতে পারে। তার জন্য শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সংস্থা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে স্কুল শিক্ষকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on linkedin
LinkedIn
Share on email
Email

সম্পকিত খবর