বাংলাদেশের উন্নয়ন শেখ হাসিনার প্রতিফলন : আ জ ম নাছির

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেছেন, পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের কোনো তুলনা হয় না। পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ অনেক উন্নত একটি দেশ। স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো তাদের দোসর হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আমরা ঐকবদ্ধ হয়ে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে। আপনারা মনে রাখবেন, ঐকবদ্ধের কোনো বিকল্প নেই। শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন কে বি কনভেনশন হলে চট্টগ্রাম জেলার ভোলা সমিতি ৪ অঞ্চলের অভিষেক ও মেজবান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব, ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও ভোলা সমিতির প্রধান পৃষ্ঠপোষক মেজবাহ উদ্দিন। প্রধান বক্তা ছিলেন, চট্টগ্রাম ১০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্জ্ব মহিউদ্দিন বাচ্চু, বিশেষ অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আবাহনী লিঃ ও যুব এবং ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি চ্যানেল আই চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ ও ভোরের ডাক ব্যুরো প্রধান চট্টগ্রামের লেখক ও সাংবাদিক কিরণ শর্মা।

আ জ ম নাছির বলেন, আজ বাংলাদেশের যে উন্নয়ন তা বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের কষ্ট লাগব অনেক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি বাংলাদেশে ছেলে মেয়েদের বিনা মূল্যে লেখা পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে কিছু কুচক্রী মহল আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নে, দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার কুমানসে অপপ্রচার চালিয়ে যে সংকট তৈরি করছে তা সাময়িক। এতে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। মনে রাখবেন আওয়ামী লীগ সরকারের কোনো বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে সকলে ঐকবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানাচ্ছি।

উদ্বোধকের বক্তব্যে সচিব মেজবাহ উদ্দিন বলেন, চর অঞ্চলের মানুষ এখনো অনেক অবহেলিত। আমি চট্টগ্রাম আসার পর আপনাদের সাথে থেকে কিছু করার চেষ্টা করেছি। আমি ঢাকা যাওয়ার পর প্রথমে ৪’ কোটি টাকা ভোলা জেলার উন্নয়নের জন্য অনুদান পাশ করিয়েছি। পরবর্তীতে সচিব হওয়ার পর সাড়ে ৪’ কোটি অনুদান পাশ করি। ভোলার অধিকাংশ মানুষ আওয়ামী লীগ। যার ফলে ২০০১ সালের পর আওয়ামী লীগের কর্মীদের স্বাধীনতা বিরোধীরা যে নির্যাতন করেছে বা নির্যাতন হয়েছি তা আমি এখনো ভুলিনি। তাই ভোলাবাসীর প্রতি আমি অনুরোধ জানাবো, আপনারা বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বুকে ধারণ করবেন। আপনারা আগের সরকারও দেখেছেন বর্তমান সরকারও দেখছেন। বর্তমান সরকারের যে উন্নয়ন তা বিগত কোনো সরকার করতে পারেনি। তাই আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে সকলে ঐকবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পতাকা তলে থেকে কাজ করতে হবে। আমি আপনাদের সাথে আগেও ছিলাম, এখনো আছি এবং আগামীতে থাকবো। চট্টগ্রাম জেলার ভোলা সমিতি ৪ অঞ্চলের সভাপতি হাজী মোঃ সেলিম হাওলাদারের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম দুলাল ও জেসমিন জুঁইয়ের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, মোঃ আলি আব্বাস, মোঃ আবুল কাশেম, মোঃ ফয়জুল্লাহ চৌধুরী বাহাদুর, মোঃ ওমর ফারুক, লায়ন আবুল কাশেম, মোঃ জহিরুল আলম, এ জেড এম ফারুক, জিল্লুর রহমান রায়হান, আলহাজ্জ্ব ওমর ফারুক, আলহাজ্জ্ব হাফেজ মাওলানা মোসলেম উদ্দিন, মোঃ তসলিম, মোঃ এমদাদুল হক ইমন, কে এম মহিউদ্দিন ও ওসমান গনি।

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on linkedin
LinkedIn
Share on email
Email

সম্পকিত খবর