
প্রত্যাশী সিমস্ প্রকল্পের উদ্যোগে অদ্য ১৯ মার্চ, ২০২৫ইং তারিখে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিকেটিটিসি), চট্টগ্রাম-এর সম্মেলন কক্ষে নিরাপদ অভিবাসন ইস্যুতে চট্টগ্রাম জেলায় কর্মরত সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনদের সমন্বয়ে “ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা” অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার চট্টগ্রাম (সিনিয়র সহকারী জজ) রূপণ কুমার দাশ।
বিকেটিটিসি’র অধ্যক্ষ প্রকৌশলী পলাশ কুমার বড়ুয়া’র সভাপতিত্বে এবং প্রত্যাশীর প্রকল্প ব্যবস্থাপক বশির আহম্মদ মনি (সূফি মনি)’র সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক মহেন্দ্র চাকমা, চট্টগ্রাম ওয়েলফেয়ার সেন্টারের সহকারি পরিচালক এনায়েত উল্লাহ, গাইসুল আজম মাইজভান্ডারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ আব্দুল বাতেন এবং চট্টগ্রাম এডিটরস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ জিয়াউল হক জিয়া।
প্রধান অতিথি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার তাঁর বক্তব্যে প্রত্যাশী, সুইজারল্যান্ড সরকার ও হেলভেটাস বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম জেলায় অভিবাসন কর্মীদের জন্য নিরাপদ অভিবাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালনকারী হিসাবে অভিবাসনকর্মীগণ আমাদের নিকট অতি সম্মানের। তিনি নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে জনসচেনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধির এবং অভিযোগকারী অভিবাসনকর্মীগণ যাতে ডকুমেন্ট ও প্রমানসমূহ সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরো বলেন- চট্রগাম জেলা লিগাল এইড অফিস সবার জন্য উন্মুক্ত, এখানে যে কেউ প্রয়োজনে মেডিয়েশন বা আইনী সেবার জন্য আসতে পারেন।
সভার সভাপতি ও বিকেটিটিসি’র অধ্যক্ষ তাঁর বক্তব্যে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের দিকে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। এছাড়াও, তিনি প্রত্যাশীকে নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে কাজ করা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে একই প্লাটফর্মে নিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ জানান। বিশেষ অতিথি ডিইএমও’র সহকারী পরিচালক বলেন-জেনে বুঝে ও দক্ষ হয়ে বিদেশ যাওয়ার কোন বিকল্প নাই। বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম ওয়েলফেয়ার সেন্টারের সহকারী পরিচালক তাঁর বক্তব্যে প্রবাসী ও তাদের পরিবারের কল্যাণে সরকারি সূযোগসমূহ বর্ণনা করেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম মহিলা টিটিসি, বিমান বন্দর প্রবাসী হেল্প ডেস্ক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, বিএনডবিøউএলএ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও), আইনজীবি, সাংবাদিক, রিক্রুটিং এজেন্সি, মাইগ্রেশন ফোরাম, ফেরত আসা অভিবাসি সহ অপরাপর সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।